ধিক্কার জানাই ঐ সমস্ত নামাজীকে যারা কারবালার প্রান্তরে ইমাম হুসাইনকে হত্যার উদ্দেশ্যে মুনাফেক, লম্পট, এজিদের সেনাপতি সৈন্যদের বলিলেন সৈন্যগন হুসাইনের কল্লা আছরের নামাজের পূর্বেই শিরচ্ছেদ করতে হবে যাতে আছর নামাজ কাজা না হয়(আমাদের-নাউজুবিল্লাহ)। আমার কথা হচ্ছে তারা কেমন নামাজ আদায় করে ?এক দিকে নামাজের মধ্যে রাসূলে পাক (সাঃ)এর দরুদ পড়বে,আর অন্য দিকে তাহার আহলে বায়াতের রক্তে গোছল করবে। কারবালার ময়দানে এজিদ পক্ষে যারা ছিল তারা তো কোন সাধারন মুসলমান ছিলনা ।অনেক সাহাবীও ছিলো আবার বেশীর ভাগই ছিলো কোরানে মোফাসির/হাফেজ।কই তারাতো কেউ ঈমাম হুসাইনের পক্ষে যুদ্ধে অংশ গ্রহন করেনি বা নিষ্ঠুর এজিদের বিপক্ষে প্রতিবাদ করেন নি?তাহলে কেন নবীর প্রাণপ্রীয় নাতি, ইমাম হুসাইনকে পরিবারসহ জীবন দিতে হলো?? জানি এই কথাগুলি বলার কারনে আমি এজিদের গোলামদের কাছে নবী ওলীর দুষমনদের কাছে খারাপ হিসেবে পরিচিত হবো তবু ও নবী_ওলীর দুষমনেরা তোমরা জেনে নাও🔔🔔আমি হতে চাইনা এমন নামাজী,যে এদিকে মুখ ফিরে নামাজের নিয়ত করছে অন্য দিকে মুখ ফিরে রাসূলের (সাঃ) এর আহলে বায়েত কে হত্যা করছে। আমি চাইনা এমন জান্নাত যে জান্নাতের জন্য রাসূলের (সাঃ) আহলে বায়েত কে ধ্বংস করতে হবে।আমি চাইনা এমন ঈমান এমন আমল এমন সুখ যা পাওয়ার জন্য নূর নবীজির বংশের বিরুদ্ধে যেতে হয়.
No comments:
Post a Comment